Forest wood pachar coriander in jalpaiguri
উত্তরবঙ্গের বনাঞ্চলে অবৈধ কাঠ কাটার অভিযোগ, নজরদারি ও তদন্তের দাবি
উত্তরবঙ্গ: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বনাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা এবং কাঠের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু এলাকায় মূল্যবান গাছের কাঠ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিভিন্ন করাতকলের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে।
বিশেষ করে জলপাইগুড়ি ও সংলগ্ন বনাঞ্চলের কয়েকটি করিডরকে কেন্দ্র করে অবৈধ কাঠ পরিবহণের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শাল, সেগুন, মেহগনি-সহ বিভিন্ন মূল্যবান গাছের কাঠ স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করার পাশাপাশি অন্যত্র পাচার করা হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, কিছু করাতকল ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কার্যকলাপের উপর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একইসঙ্গে বনাঞ্চলে অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত এবং নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানানো হয়েছে।
এ ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ সত্যি প্রমাণিত হলে তা বনসম্পদ সংরক্ষণ এবং সরকারি রাজস্ব—উভয়ের উপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে বন দফতরের কোনও নির্দিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ বা অবৈধ কাঠ ব্যবসায় সহযোগিতার অভিযোগের বিষয়ে কোনও নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি বা প্রমাণ এই প্রতিবেদনের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়নি। তাই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে দেখা উচিত নয়।
অভিযোগকারীরা উত্তরবঙ্গের বনাঞ্চলে অবৈধ গাছ কাটা ও কাঠ পাচার রুখতে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন, নিয়মিত পরিদর্শন এবং করাতকলগুলির লাইসেন্স ও কাঠের উৎস যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বন দফতর ও প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা যেতে পারে।
নোট: অবৈধ কাঠ কাটা, পাচার বা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশের আগে সরকারি নথি, FIR, তদন্তের তথ্য বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।