রানি আঁখা হাসপাতাল, বিরাটনগর: চক্ষু চিকিৎসা থেকে বিনামূল্যে আই ক্যাম্প—গ্রামবাংলার ক্লাবগুলির জন্য বিশেষ উদ্যোগ
প্রতিবেদনের তারিখ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬
গ্রামবাংলায় বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির: কীভাবে উদ্যোগ নেবেন এবং কোথায় যোগাযোগ করবেন
গ্রামবাংলার বহু মানুষ চোখের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ভোগেন। কারও দূরের লেখা দেখতে অসুবিধা হয়, কারও চোখে ছানি পড়ে, আবার কারও ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সময়মতো চোখ পরীক্ষা না করালে কিছু রোগের ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা পৌঁছে দিতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। স্থানীয় ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ নিলে প্রবীণ মানুষ, আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবার ও স্কুলপড়ুয়া শিশুদের চোখ পরীক্ষা করানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে শিবির আয়োজনের আগে চিকিৎসক, পরিষেবা ও খরচের বিষয়গুলি নিশ্চিত করা জরুরি।
১. বিরাটনগরের Birat Rani Aankha Aspatal-এর চক্ষু পরিষেবা
Birat Rani Aankha Aspatal-এর ওয়েবসাইটে সাধারণ চোখ পরীক্ষা, ছানি অস্ত্রোপচার, রেটিনার চিকিৎসা, মায়োপিয়া ক্লিনিক, ড্রাই আই ক্লিনিক এবং লো-ভিশন পরিষেবার উল্লেখ রয়েছে। পরিষেবার বর্তমান প্রাপ্যতা ও চিকিৎসার শর্ত জানতে হাসপাতালের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা উচিত।
ওয়েবসাইট: https://biratranieye.com.np/
ঠিকানা: Main Road, Biratnagar-10, Morang, Nepal
প্রকাশিত যোগাযোগ নম্বর: +918926476138, +977-9709154186
প্রকাশিত OPD সময়: সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। যাওয়ার আগে বর্তমান সময়সূচি ও জরুরি পরিষেবার তথ্য নিশ্চিত করুন।
তথ্যসূত্র: হাসপাতালের নিজস্ব ওয়েবসাইট।
চোখের সাধারণ পরীক্ষা
প্রাথমিক পরীক্ষায় দৃষ্টিশক্তি, চশমার পাওয়ার এবং চোখের কিছু সমস্যা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তবে সাধারণ দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করলেই সব ধরনের চক্ষুরোগ শনাক্ত হয় না। প্রয়োজন অনুযায়ী বিস্তারিত পরীক্ষা করতে হতে পারে।
ছানি বা Cataract
ছানি হলে চোখের স্বচ্ছ লেন্স ঘোলা হয়ে যায় এবং দৃষ্টিশক্তি কমতে পারে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন আছে কি না, তা রোগীর চোখের অবস্থা ও দৈনন্দিন কাজের অসুবিধা বিবেচনা করে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।
রেটিনা ও ডায়াবেটিসজনিত চোখের সমস্যা
ডায়াবেটিসের কারণে রেটিনার রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে সবসময় স্পষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।