Census 2027
জলপাইগুড়িতে টাউন ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্টে দর্শকদের ভিড়
জলপাইগুড়ি: টাউন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত “Indian Force / Civilian” ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে জলপাইগুড়িতে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। প্রতিযোগিতা দেখতে স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দর্শকদের জন্য প্রবেশমূল্য রাখা হয়েছিল মাত্র ৩০ টাকা।
টাউন ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্রীড়া কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। একসময় ক্লাবের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে এলাকায় যথেষ্ট উৎসাহ ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই ক্রীড়াচর্চার পরিবেশ কিছুটা কমে যাওয়ায় অনেক ক্রীড়াপ্রেমী হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে এবারের ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে শহরে ফের ক্রীড়া-উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বড় আকারের প্রতিযোগিতার কারণে স্টেডিয়ামে দর্শকদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ক্রীড়াপ্রেমীদের একাংশের আশা, ভবিষ্যতে জলপাইগুড়িতে আরও বেশি ফুটবল ও অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, খেলাধুলার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব না রেখে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া জরুরি। নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জলপাইগুড়ি তথা দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা উঠে আসতে পারে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা সংবাদমাধ্যমের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন, যাতে শহরের পুরনো ক্রীড়া সংস্কৃতি ও ক্লাবগুলির ঐতিহ্যকে আরও বেশি করে তুলে ধরা হয় এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করা যায়।
তাঁদের মতে, একটি বড় টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়াম আবার দর্শকে ভরে ওঠা প্রমাণ করে যে মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ এখনও যথেষ্ট রয়েছে। ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠন আরও বড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করলে এই আগ্রহ আরও বাড়তে পারে।
ক্রীড়া সংগঠকদের পাশাপাশি সরকারি ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের কাছেও সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে। মাঠ, পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ বাড়লে জলপাইগুড়ির ক্রীড়াক্ষেত্র আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।
এই ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে দর্শকদের উৎসাহ তাই শুধু একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শহরের পুরনো ক্রীড়া সংস্কৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তোলার একটি সম্ভাবনাও তৈরি করেছে।