गहरी सांस लेने से बढ़ सकती है जोखिम उठाने की क्षमता, रिसर्च में सामने आए दिलचस्प निष्कर्ष
নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাসের অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে: গবেষণা
নিউইয়র্ক: নিয়মিতভাবে গভীর ও নিয়ন্ত্রিত শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে এই ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন কিছু পরিস্থিতিতে ঝুঁকি-সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির আচরণ ও আত্মবিশ্বাসের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণা অনুযায়ী, ব্যক্তি কিছু সময় ধরে নিয়ন্ত্রিতভাবে গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে তা ছেড়ে দিলে শরীরের প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সক্রিয় হতে পারে। এর ফলে শরীর ও মন তুলনামূলকভাবে শান্ত অবস্থায় যেতে পারে এবং সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।
অধ্যয়নের সময় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পর্যবেক্ষণ করা হয়। গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, যারা নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল অনুসরণ করেছিলেন, তারা ঝুঁকি-সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য দেখিয়েছেন।
গবেষকদের মতে, নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও মানসিক চাপজনিত অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে। খেলোয়াড়, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী এবং উচ্চ চাপের পরিবেশে কাজ করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই ধরনের কৌশল উপকারী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, এই বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ এবং ভিন্ন পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রিত শ্বাস-প্রশ্বাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার জন্য ভবিষ্যতে অতিরিক্ত গবেষণা করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে এর প্রভাব ব্যক্তি ও পরিস্থিতিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং এটিকে কোনো চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।