পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম তথা সিউড়িতে অনুব্রত মন্ডলকে ঘিরে তাণ্ডব
সিউড়িতে অনুব্রতকে ঘিরে তাণ্ডব, পার্টি অফিসে ভাঙচুর: আটক তিন যুবককে ছেড়ে দিল পুলিশ
নূর মোহাম্মদ, বীরভূম:
সিউড়ির পুরনো বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে উত্তেজনা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ভোটের ফল প্রকাশের পর প্রথমবার ওই কার্যালয়ে গিয়েছিলেন অনুব্রত। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় আচমকাই তিন যুবক লাঠি ও গাছের ডাল হাতে কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, যুবকেরা অনুব্রতকে ঘিরে ধরে তাঁর কলার টানেন এবং তাঁকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক মন্তব্য করেন। এরপর তাঁর সামনেই পার্টি অফিসের কাচের টেবিল, চেয়ার, কাচের জানলা, এসি-সহ বিভিন্ন সামগ্রীতে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার ভিডিয়োও পরে প্রকাশ্যে আসে। অনুব্রতকে সামান্য আঘাত লাগার দাবি কিছু প্রতিবেদনে থাকলেও, তাঁকে সরাসরি মারধর করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন যুবককে আটক করে। অনুব্রতকে পুলিশি নিরাপত্তায় সিউড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে অনুব্রত বা তাঁর দলের পক্ষ থেকে থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় এবং পুলিশের পক্ষ থেকেও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা না হওয়ায় আটক তিন যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
ঘটনার কারণ নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। অভিযুক্ত যুবকেরা দীর্ঘদিনের ক্ষোভের কথা বললেও তাঁদের বক্তব্যের স্বাধীন প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর নেপথ্যে অন্য কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত।
ঘটনার পর অনুব্রতপন্থী শিবিরের পক্ষ থেকে ফের সিউড়ির ওই কার্যালয়ে যাওয়ার কর্মসূচির কথাও সামনে এসেছে। ফলে ৩০ সেপ্টেম্বরের ঘটনাকে ঘিরে বীরভূমের রাজনীতিতে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত।
উপরের যে ছবিটি ব্যবহৃত হয়েছে সেই ছবিটি একটি প্রতীকী ছবি মাত্র। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ছবিটি। বাস্তবে ক্যামেরা দিয়ে বা মোবাইল দিয়ে তোলা নয়। শুধুমাত্র ঘটনা টি বোঝার জন্য এই ছবিটি ব্যবহার করা হলো।