असम बाढ़ बुलेटिन: तबाही के बीच 80 लोगों की मौत
অসমে বন্যা পরিস্থিতি গুরুতর, দুর্গতদের পাশে বিধায়ক অখিল গগৈ
গোলাঘাট, ৩১ জুলাই ২০২৬: অসমে অব্যাহত ভারী বৃষ্টি এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বন্যা ও ভূমিধসের কারণে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উত্তর ও উচ্চ অসমের একাধিক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত
শিবসাগর, চরাইদেও, যোরহাট ও গোলাঘাট-সহ একাধিক জেলায় বন্যার প্রভাব দেখা দিয়েছে। বহু এলাকা জলমগ্ন হওয়ায় অনেক পরিবারকে নিরাপদ স্থানে বা ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। বন্যার জেরে কৃষিজমি, ফসল এবং বিভিন্ন পরিকাঠামোরও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করলেন অখিল গগৈ
এই পরিস্থিতিতে শিবসাগরের বিধায়ক এবং রাইজর দলের সভাপতি অখিল গগৈ বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে দুর্গত মানুষের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানা গেছে। তিনি নৌকায় করে জলমগ্ন ও দুর্গম এলাকায় পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, তিনি দুর্গত মানুষের সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। বন্যার কারণে খাবার, নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকটে থাকা পরিবারগুলির সঙ্গে তিনি কথা বলেন বলে জানা গেছে।
কৃষি ও পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি
বন্যার জেরে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও ফসল জলের তলায় চলে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, সেতু ও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। এর ফলে স্বাভাবিক জনজীবন এবং ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
রিলিফ ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ
বন্যা কবলিত মানুষের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্যান্য সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
সতর্ক থাকার আবেদন
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর তীরবর্তী ও জলমগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নোট: প্রকাশের আগে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা এবং সরকারি ত্রাণ ও ঋণ-সংক্রান্ত ঘোষণার তথ্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।