পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানি সম্পন্ন করা এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
প্রশাসনিক পর্যায়ে কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট স্থান ব্যবহারের পরামর্শ, বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সামাজিক মাধ্যমে গুজব বা উস্কানিমূলক পোস্টের বিরুদ্ধে নজরদারির বিষয়েও আলোচনা চলছে।
এ প্রসঙ্গে Naushad Siddique বলেন, কুরবানি মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার এবং শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি প্রশাসনের কাছে ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল থাকার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মৌলানারাও পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে ঈদ পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসলামে প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ববোধ ও সামাজিক সৌহার্দ্যের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, কুরবানির মূল শিক্ষা ত্যাগ, মানবতা এবং আত্মনিবেদন। তাই উৎসবকে কেন্দ্র করে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।